গুম ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইনের খসড়া নিয়ে বাংলাদেশে সমালোচনা
গুম ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশন সম্পর্কিত নতুন খসড়া আইন নিয়ে সমালোচনা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রস্তাবিত আইনে স্বাধীন তদন্ত ও জবাবদিহির ক্ষমতা দুর্বল হতে পারে।

বাংলাদেশে গুম ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশন সম্পর্কিত নতুন খসড়া আইন নিয়ে মানবাধিকারকর্মী ও সংশ্লিষ্ট মহলে সমালোচনা দেখা দিয়েছে। সমালোচকদের দাবি, আগের অধ্যাদেশের তুলনায় নতুন খসড়াগুলোতে স্বাধীন তদন্ত ও জবাবদিহির ক্ষমতা কমে যেতে পারে।
প্রস্তাবিত জাতীয় মানবাধিকার কমিশন কাঠামো অনুযায়ী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা শৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগের ক্ষেত্রে কমিশন সরাসরি স্বাধীনভাবে ব্যবস্থা নিতে পারবে না। এ ধরনের অভিযোগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বাহিনীর প্রধান বা সরকারের কাছ থেকে প্রতিবেদন নিতে হবে।
গুমবিরোধী খসড়া আইন নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। এতে তদন্তের দায়িত্ব পুলিশের ওপর দেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে। মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, যখন অভিযোগ রাষ্ট্রীয় সংস্থা বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে, তখন পুলিশি তদন্তে স্বার্থের সংঘাত তৈরি হতে পারে।
সরকার বলছে, গুম যেন আর ফিরে না আসে, সে লক্ষ্যেই কার্যকর আইন করা হচ্ছে। তবে সমালোচকদের মতে, আইনে স্বাধীন তদন্ত ব্যবস্থা, শক্তিশালী মানবাধিকার কমিশন এবং পরিষ্কার জবাবদিহি নিশ্চিত না হলে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হতে পারে।
View Primary Source